ভ্যাকসিন বা টিকা আপনার প্রিয় কুকুরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে যা আপনার কুকুরকে বিপজ্জনক রেবিয়াস, হেপাটাইটিস এর মত সম্ভাব্য গুরুতর রোগ থেকে কার্যকরভাবে রক্ষা করতে পারে। নিয়মিত টিকাগুলি কেবল মাত্র আপনার প্রিয় কুকুরের স্বাস্থ্যের সুরক্ষার জন্য নয়, তারা আপনার পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যও সুরক্ষা রাখতে পারে। কারণ কিছু কুকুরের রোগ মানুষের শরীরেও সংক্রমিত হতে পারে। ভ্যাকসিন আপানার কুকুরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আপনার কুকুরকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
কুকুর অসুস্থ হওয়ার আগেই ভ্যাকসিন দিয়ে আপনার কুকুরকে সুরক্ষিত রাখুন। মনে রাখবেন কুকুর অসুস্থ হওয়ার পর ভ্যাকসিন দিলে তা কাজ করে না। কিছু রোগ আছে যা ঔষধেও কাজ করে না।
আপনার কুকুরকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভ্যাকসিন দিবেন না, এতে আপনার কুকুর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। যেহেতু আপনার কুকুর ভ্যাকসিন দেয়ার কারণে সুরক্ষিত, তখন তাকে পুনরায় ভ্যাকসিন দিয়ে সুরক্ষিত করার প্রয়োজন নাই, এমনিতেই ভ্যাকসিনের পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে।
ক্যানিন পারভভাইরাস যা সাধারণত প্যারো বলা হয়, এটি একটি সংক্রমন রোগ যা কুকুর ছানা এবং কুকুরের জন্য প্রাণঘাতী রোগ সৃষ্টি করতে পারে।এটি কোন ব্যক্তি, অন্য প্রাণী বা সক্রমিত কুকুরের মাধ্যমে এই রোগ কুকুরের শরীরে ছড়াতে পারে। আপনার কুকুরকে সময়মত টিকা না দিলে এই রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল।
ভ্যাকসিন নিম্নলিখিত রোগ থেকে আপনার কুকুরকে সুরক্ষা করে।
- CANINE DISTEMPER
- PARVOVIRUS INFECTION
- RABIES
- HEPATITIES
- LYME DISEASE
- LEPTOSPIROSIS
- HEARTWORM
নিম্নের ২/৩ ধরণের ভ্যাকসিন বাংলাদেশের প্রায় সব Veterinary ডাক্তারের কাছেই পাওয়া যায়। Eurican DHPPi Vaccine প্রাপ্তবয়স্ক কুকুর এবং বাচ্চা কুকুর উভয়কে দেয়া যায়। Eurican P, Eurican L এবং Rabisin Vaccine গুলি সাধারণত বাংলাদেশে সহজলভ্য। সাধারণত আপনার কুকুরের বয়স ৪-৬ সপ্তাহ হলেই কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু করতে হবে। কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়ার সময় অবশ্যইVeterinary ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তবে দিবেন। এরপর Vet এর পরামর্শে প্রতিবছর Booster Dose দেয়া উচিৎ।
0 $type={blogger}:
Post a Comment