• কিভাবে আপনার বিড়ালের যত্ন নিবেন।

     কিভাবে আপনার বিড়ালের যত্ন নিবেন।
    আপনার পোষা বিড়ালটি আপনার সবসময়ের সংগি, তাই প্রথমত তার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিড়াল স্বভাবগত ভাবে পরিচ্ছন্ন প্রাণী, তাই সে অপরিষ্কার থাকতে চাইবে না। তাই আপনাকেও তার পরিচ্ছন্নতার দিকে সর্বদা লক্ষ্য রাখতে হবে। তার থাকার জায়গাটি অবশ্যই পরিষ্কার রাখতে হবে এবং যাতে আলো বাতাস প্রবেশ করে সেই দিকেও নজর রাখতে হবে। এমনকি সে যদি রাতে আপনার সাথে ঘুমায় তাহলেও নিতে হবে বিশেষ যত্ন।
    আপনার শখের বিড়ালটির লম্বা চুলগুলো নিয়মিতে আচড়িয়ে দিবেন, দিনে অন্তত ২বার আচড়িয়ে দিলে দেখতেও সুন্দর লাগে। বিড়ালের সারা গায়ের পশমের কারণে জটলা অবস্থার সৃষ্ট হয় যা থেকে তার দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, নিয়মিত চুল আচড়িয়ে দিলে এই জটলা ভাব থাকে না। বিশেষ করে পার্সিয়ান বিড়ালের শরীরে অনেক লোম হয় এবং তা আকারেও বড় হয়, অনেক সময় এই লোম বন্ধ অবস্থার সৃষ্টী করে এবং বিড়াল অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। চাইলে আপনি বিড়ালের লোম কেটে ছোট রাখতে পারেন। আপনার শখের বিড়ালের লোম ব্রাশ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে থাবা এবং চেহারাতে কোন প্রকার আঘাত না লাগে। এই ২টা জায়গা না আচড়ানোই ভালো। চাইলে নিজের হাতে গ্লাভস পড়ে আপনার বিড়ালের লোমাগুলো আচড়ে দিতে পারেন।
    বিড়ালকে সারাবছর গোসল করাতে হবে, প্রতি মাসে অন্তত ২/৩ বার গোসল করাতে হবে। গোসলের সময় মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। বাজারে বিড়ালের জন্য আলাদা শ্যাম্পু পাওয়া যায়। এছাড়া সাধারণ উকুন নাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে। শ্যাম্পু ব্যবহার করলেও বিড়ালের গায়ে উকুন বা পোকা হতে পারে, এক্ষেত্রে গোসল করানোর পর বিড়ালের জন্য বিশেষ ধরণের স্প্রে পাওয়া যায়, যা ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যায়।
    বিড়ালের পায়খানা পশ্রাবের ব্যবস্থা বাড়িতেই করা যেতে পারে। ছোট কোন বোলের মধ্যে বালু দিয়ে রাখতে পারেন, বালু না পেলে ব্যবহার করতে পারেন ছাই কিংবা খবরের কাগজ। এক্ষেত্রে Litter Box ব্যবহার করাটা সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত।
    বিড়ালের বয়স ২ সপ্তাহ হওয়ার পর থেকে নিয়মিত কৃমির ঔষধ দিতে হবে। বিড়ালের ওজনের উপর ভিত্তি করে ঔষধের পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে। এছাড়া বিড়ালটি কোন এলাকায় থাকে এবং কি পরিবেশে থাকে, তার উপর নির্ভর করে কৃমির ঔষধ দেওয়া হয়। তাই ঔষধ দেওয়ার আগে অবশ্যই ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
    মরণঘাতী বেশ কয়কেটি রোগ থেকে বিড়ালকে বাচাতে ভ্যাকসিন দেওয়া জরুরী। এমনিতে বছরে একবার বিড়ালকে ভ্যাকসিন দিতে হয়। তবে এক্ষেথেও বিড়ালের বয়স এবং আশেপাশের পরিবেশের উপর নির্ভর করে ভ্যাকসিন দিতে হবে। ভ্যাকসিন না দেওয়া হলে বিড়ালের কিছু রোগ মানুষের মাঝেও ছড়াতে পারে।
    পরিণত বয়সে নির্দ্দিষ্ট সময় পরপর বাচ্চা দিতে পারে মেয়ে বিড়াল, এক্ষেথে বন্ধাত্যকরণ জররী। যেকোন ভেটেরিনারী চিকিৎসকের চেম্বারে এই অস্ত্রপচার করা হয়। শুধু মেয়ে বিড়ালই নয়, ছেলে বিড়ালকেও খোজা বা নিউটার করা প্রয়োজন। ছোট্র এই অস্ত্রপচার বিড়ালকে রোগমুক্ত করার পাশাপাশি প্রাণীটির আয়ুও বাড়িয়ে দেয়।
  • 0 $type={blogger}:

    Post a Comment

    GET A FREE QUOTE NOW

    Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat.

    JSON Variables

    ADDRESS

    4759, NY 10011 Abia Martin Drive, Huston

    EMAIL

    contact-support@mail.com
    another@mail.com

    TELEPHONE

    +201 478 9800
    +501 478 9800

    MOBILE

    0177 7536213 44,
    017 775362 13