২) পোষা প্রাণি রোগে আক্রান্ত হলে অনেক মানুষ আছেন একদম শেষ স্টেজে নিয়ে আসেন, এতে করে ডাক্তারেরও কিছু করার থাকে না। রোগাক্রান্ত হলে যত দ্রুত সম্ভব ভাল ভেটেরিনারীয়ানের পরামর্শ নিন। কমপক্ষে ডাক্তাদের সাথে আলাপ করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নিয়ে আসুন।
৩) সময়মত ক্রিমি নাশক (ডিওর্মিং) ঔষধ প্রদান করুন। অনেকে ক্রিমির সমস্যাকে স্বাভাবিক মনে করেন। এটার কারণে নানান উপসর্গ দেখা দেয়। অনেকসময় এটাই মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে।
৪) পোষা প্রানীর বেডিং, খাবার ও পানির পাত্র পরিস্কার রাখুন।
৫) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনো এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।
৬) সময়মত সংক্রমক রোগের ভেক্সিন প্রধান করুন । অনেকে ভেক্সিনের খরচ বাঁচাতে চায়। পরবর্তিতে রোগ হলে দ্বিগুন খরচ করেও আদরের প্রানীকে বাচানো যায় না।
৭) জলাতংক রোগের ভেক্সিন দিতে অবহেলা করেন অথবা অল্প টাকার জন্যও অনেকে দেন না। পরে কুকুর বা বিড়াল কামড়ালে নিজেই ভেক্সিন নেন চারগুন টাকা খরচ করে।
(বি.দ্রঃ Sylhet Pet Clinic এ বিনামূল্যে কুকুর ও বিড়ালকে জলাতংক রোগের ভেক্সিন দেয়া হচ্ছে)
৮) সপ্তাহ কমপক্ষে ১ দিন গোসল করান। চিরুনি দিয়ে গায়ের লোম আচড়ে দিবেন।
৯) রোগাক্রান্ত প্রানিকে সুস্থগুলো থেকে আলাদা রাখুন।
১০) উঁচু দালানে থাকলে লক্ষ রাখবেন যাতে আপনার আদরের প্রাণিটি জানালা, সিড়ি বা দেয়ালে খেলা করতে পড়ে না যায়।











0 $type={blogger}:
Post a Comment