- বাচ্চা পাখি কেনার চেস্টা করবেন(৩-১০ মাস) বিশেষ করে যদি আপনি নতুন হন ককাটিয়েল এর ব্যপারে আপনার যদি ভালো অভিজ্ঞতা না থাকে।
- টেম করার জন্য পাখি কিনতে চাইলে এমন পাখি কিনুন যেটা মাত্র সিড খাওয়া শুরু করেছে অল্প খেতে পারে কিন্তু ভালো মত উড়তে পারেনা। এমন পাখি কিনলে আপনার হ্যন্ড ফিডিং করানো লাগবেনা। এখানে কোন নির্দিষ্ট বয়স বলা যাচ্ছেনা কারন সব পাখির গ্রোথ একরকম হয় না।
- কখনই ডিম সহ বা বাচ্চা সহ জোড়া কিনবেন না।
- অবশ্যই পাখি কেনার আগে ভালো মত দেখে কিনবেন অসুস্থ কি না বুঝার চেস্টা করবেন।
- যার কাছে থেকে পাখি কিনবেন সে পাখিদের কেমন পরিবেশ দিচ্ছে, কি খাওয়াচ্ছে এটা অনেক বড় বিষয়। এই ব্যপার গুলো খেয়াল রাখবেন। অনেকেই পাখি কেনার পর বলে যে তার পাখি সিড মিক্স ছাড়া কিছু খায় না। নেস্ট বক্স এ বাচ্চা আছে কিন্তু সফট ফুড খায়না বাচ্চাদের ও খাওয়ায় না। এর কারন হচ্ছে ছোট বেলা থেকে সব ধরনের খাবারের অভ্যাস করানো হয় নাই। আর শুধু সিড খাওয়া পাখি থেকে ভালো কিছু আশা করা যায়না। এরা ভালো ব্রীড করবেনা আর একটুতেই অসুস্থ হয়ে পড়বে।
- মনে করেন আপনি ১০ মাস বয়সী পাখি কিনলেন। পাখির শারীরিক ও মানসিক গঠন প্রথম ৬ মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ হয়। যদি আপনি এমন কোথাও থেকে পাখি কিনেন আর সেখানের পরিবেশ ভালো না হয়, অসাস্থ্যকর হয় তাহলে ওই এভায়েরির পাখি থেকে ভালো কিছু আশা করা যায়না।
- কখনো জোড়া ভেঙ্গে সিঙ্গেল পাখি কিনবেন না। পাখির মস্তিস্ক অনেক বেশি উন্নত। এদের যখন জোড়া করে রাখা হয় তখন সঙ্গী পাখির সাথে সম্পর্ক হলে সেটা খুব ঘনিস্ট হয়। আপনি চাইলেই তাকে ধরে এনে অন্য একটা পাখির সাথে জোড়া দিতে পারবেন না। সবসময় জোড়া নিবেও না।
- যদি ব্রীডিং এর উদ্দেশ্যে পাখি কিনেন তাহলেও বাচ্চা কেনা উচিত। আর যে বাচ্চা কিনবেন চেস্টা করবেন তার প্যরেন্টস এর ডিম পারা আর ফুটানর রেট জানতে। কারন ব্রীডিং শুধু মাত্র ভালো খাবার আর পরিবেশ এর উপর নির্ভর করেনা এর সাথে শক্তিশালী জেনেটিক্স ও দরকার। সব পাখি ব্রীডিং এর জন্য ভালনা। কিছু পাখি ভালো কথা বলতে পারে, কিছু পাখি বন্ধু হিসেবে ভালো।
- সর্বোপরি আপনি পাখি যদি ভালোবাসেন তাদের সময় দিতে পারেন তাহলে পাখি কিনেন না হলে না। পাখি কেনার আগে তাকে কিভাবে রাখবেন সেটা চিন্তা করেন। আর বারবার পাখির বাসস্থান পরিবর্তন করলে মানসিক চাপ পড়ে পাখির উপর তাই এমন জায়গায় পাখি রাখবেন যেখান থেকে অন্য কোথাও সরানো লাগবেনা।
- খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে অনেকেই কম দাম দিয়ে ভালো পাখি কিনতে চায়। কিন্তু ভালো জিনিষের দাম কখনই কম হয় না। কথায় আছে যত গুর তত মিস্টি। আরে ভাই আপনি যদি ৫০০০ টাকা খরচ করে একটি পাখি কিনতে পারেন আর ১০০০ টাকা বেশি খরচ করতে কি সমস্যা? মনে রাখবেন সস্তার অনেক রকম অবস্থা হয়। আবার এর মানে এই না যে আপনি খারাপ মানের পাখি অনেক বেশি দাম দিয়ে কিনে আনবেন। আপনি খেয়াল করবেন যে পাখির মালিক পাখির কেমন যত্ন নিচ্ছে, পাখিকে কেমন সুযোগ সুবিধা দিয়েছে সে অনুযায়ী দাম চিন্তা করবেন। যে শুধু সিডমিক্স দিয়ে পাখি পালে তার পাখির দাম আর যে ৫ রকম খাবার দিয়ে পাখি পালে তার পাখির দাম তো এক হবেনা।
- নতুন পাখি কেনার পর ৩ দিন পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ রাখতে পারে। কারন নতুন পরিবেশে এসে এদের মানিয়ে নিতে সময় লাগে। আর যেভাবে আমরা ছোট একটা প্যকেট এ করে পাখি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাই এতে করে অনেক চাপ পড়ে তাদের উপর।
- চেস্টা করবেন বিশ্বস্ত এবং পাখি ভালোবাসে এমন কার কাছে থেকে পাখি কিনতে। কারন তারাই পাখির যত্ন নেয় যারা পাখিকে সত্যিই ভালোবাসে।
নতুন পাখি কিনবেন?
নতুন পাখি কিনবেন? যদি কিনতে চান তাহলে প্রথমেই আপনাকে কিছু ব্যপার মাথায় রাখতে হবে। সময় থাকলে এই article টি পড়তে পারেন। আশা করি আপনার কাজে লাগবে।











0 $type={blogger}:
Post a Comment