
শখের পাখি লালন - পালন ও রোগ-বালাই এর সমাধান

ক) এটি আমদের দেশের পাখি নয়। তবে বর্তমানে আমাদের দেশে এই পাখিটিকে শখের বসে বাড়িতে পোষার জন্য সংগ্রহ করে থাকেন। এই পাখিটি বেশ দামি।
খ) বাজগিরা পাখি খুব সহজেই ডিম দেয়। ডিম থেকে খুব তাড়াতাড়ি বাচ্চা হয়। তবে ডিম পাড়া বা ডিম থেকে বাচ্চা হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে পাখির যত্নের ওপর।
গ) বাড়িতে এই পাখিগুলো খুব সহজেই লালন-পালন করা যায়। বাজগিরা পাখি দেখতে অনেক সুন্দর এর গায়ে অধিক রঙে রঙিন।
ঘ) বাজগিরা পাখি পালনের জন্য প্রথমে আপনাকে উপযুক্ত খাঁচা নির্বাচন করতে হবে। খাঁচার মধ্যে পাখির ডিম পাড়ার জন্য ও খাদ্য প্রয়োগের জন্য পাত্র দিতে হবে।
ঙ) বাজগিরা পাখির প্রতিটির শরীরে দুটি বা চারটি রঙের মিশ্রণ থাকে। এ রঙগুলো হচ্ছে হলুদ, সাদা ও নীল ধরনের হয়ে থাকে।
ছ) সঠিক নিয়মে যত্ন নিলে দু-আড়াই মাসের মধ্যে বাজগিরা পাখি ডিম দেয়া শুরু করে। খুব যত্নসহকারে বাজগিরা পাখির যত্ন করতে হবে।
ক) বাড়িতে সহজে লালন-পালন করা যায় এমন পাখির মধ্যে আছে ককটেল ও লোটিনো বা গ্রে ককটেল পাখি। বাজগিরা পাখির মত এরাও খুব সহজেই ডিম দেয়।
খ) এ সকল পাখি পালনের জন্য প্রথমে আপনাকে উপযুক্ত খাঁচা নির্বাচন করতে হবে। খাঁচার মধ্যে পাখির ডিম পাড়ার জন্য ও খাদ্য প্রয়োগের জন্য পাত্র দিতে হবে।
গ) ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখিগুলো দেখতে অনেকটা কাকাতুয়ার মতো। এদের মাথায় সুদৃশ্য ঝুটি আছে ও এদের ডাক অনেক সুন্দর।
ঘ) সঠিক নিয়মে যত্ন নিলে সাড়ে তিন মাস থেকে চার মাসের মধ্যে ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখি ডিম দেয়া শুরু করে। খুব যত্নসহকারে ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখির যত্ন করতে হবে।
ক) ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখি খাবার হিসেবে সাধারণত দানাদার খাদ্য পছন্দ করে। এর মধ্যে রয়েছে সূর্যমুখীর বিচি, ধান, চিনা ও কুসুম ফুলের বিচি
খ) এছাড়াও আপনি ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখিকে ভেজা ছোলা অথবা শাকসবজি খাওয়াতে পারেন।
ক) বাড়িতে সহজে লালন-পালন করা যায় এমন শখের পোষা পাখিগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি। এই পাখিগুলো দেখতে অনেক সুন্দর।
খ) এই পাখি গুলো দেখতে অনেকটা শালিক পাখির মতো। এই পাখি পালনে খরচ অনেক কম।
গ) লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি মূলত শস্যভোজী পাখি। এরা বিভিন্ন ধরণের শস্য খেয়ে থাকে।
গ) লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখিগুলো হোয়াইট ফিডও খেয়ে থাকে।
ঘ) এছাড়াও আপনি ইচ্ছা করলে বিভিন্ন জাতের দেশী বিদেশী কবুতর পালন করতে পারেন। এরা ধান, গম বা ভাত খেয়ে থাকে। এদের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানি ও ইন্ডিয়ান লক্ষ্মা, হল্যান্ডের সিরাজি ও ম্যাগপাই ইত্যাদি।
ক) বাড়িতে লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি অথবা কবুতর পালন করার ক্ষেত্রে আপনাকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। রানীক্ষেত, ম্যালেরিয়া ও নিউমোনিয়ায় মত মারাত্মক রোগে এসকল পাখি আক্রান্ত হতে পারে।
খ) এসব রোগের আক্রমণে অ্যান্টি-ভাইরাস, অ্যান্টি-বায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। তবে পশুপাখি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে ওষুধ খাওয়ানো উত্তম।
গ) বাড়িতে লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি লালন-পালনে সঠিক মাপের খাঁচা ব্যবহার করতে হবে। কবুতরের জন্য উপযুক্ত আঁকারের খোপ বা ঘর তৈরি করে দিতে হবে।










0 $type={blogger}:
Post a Comment