John Smith

I am a Writer

John Doe

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat. Ut wisi enim ad minim veniam, quis nostrud exerci tation ullamcorper suscipit .
Erat volutpat. Ut wisi enim ad minim veniam, quis nostrud exerci tation ullamcorper.

  • 3066 Stone Lane, Wayne, Pennsylvania.
  • +610-401-6021, +610-401-6022
  • admin@mydomain.com
  • www.yourdomain.com
Me

My Professional Skills

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat.

Web Design 90%
Web Development 70%
App Development 95%
Wordpress 60%

Awesome features

Aliquam commodo arcu vel ante volutpat tempus. Praesent pulvinar velit at posuere mollis. Quisque libero sapien.

Animated elements

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Sed tempus cursus lectus vel pellentesque. Etiam tincidunt.

Responsive Design

Pellentesque ultricies ligula a libero porta, ut venenatis orci molestie. Vivamus vitae aliquet tellus, sed mollis libero.

Modern design

Duis ut ultricies nisi. Nulla risus odio, dictum vitae purus malesuada, cursus convallis justo. Sed a mi massa dolor.

Retina ready

Vivamus quis tempor purus, a eleifend purus. Ut sodales vel tellus vel vulputate. Fusce rhoncus semper magna.

Fast support

Suspendisse convallis sem eu ligula porta gravida. Suspendisse potenti. Lorem ipsum dolor sit amet, duis omis unde elit.

0
completed project
0
design award
0
facebook like
0
current projects
  • শীতে কুকুরের যত্ন।

    শীতে কুকুরের যত্ন।

    • শীতে কুকুরকে উষ্ণদায়ক পোশাক পড়াতে হবে , তবে যেসব কুকুরের শরীর ঘন লোম দ্বারা ঢাকা থাকে তদের জন্য কোনো পোশাক পোশাক দরকার নেই ।

    • শীতে কুকুরকে ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা করার জন্য নিয়ে যেতে হবে । এতে কুকুরটি বাইরের পরিবেশের শীতের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে । এছাড়াও শীতের মৃদু রোদ থেকে কুকুরটি নিজের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন-ডি পাবে । খোলা আকাশে সূর্যের নিচে কুকুরটির সাথে খেলাধুলা করতে হবে ।

    • কুকুরকে ঠাণ্ডা মেঝেতে ঘুমাতে দাওয়া যাবে না । কুকুরের বিছানা মেঝে থেকে একটু উঁচু করে করতে হবে এবং কুকুরটিকে ঘুমানোর জন্য উষ্ণ কম্বল দিতে হবে ।

    • শীতে কুকুরকে অতিরিক্ত খাওয়ানো উচিত না , কারণ শীতের সময় কুকুর তেমন একটা বাইরে বের হয় না বা খেলাধুলা করে না । শীতে কুকুরকে এমন খাবার খাওয়াতে হবে যা তার শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করবে । এক্ষেত্রে কুকুরের জন্য বাদাম ও মাছের তেল উপযুক্ত খাবার ।

    • শীতের সময় কুকুরের নখ ও লোম পরিস্কার করে রাখতে হবে , যাতে কুকুরটি অন্য কোনো রোগ দ্বারা আক্রান্ত না হয় ।

    • কুকুরকে পান করার জন্য হাল্কা গরম পানি দিতে হবে ।

    • কুকুরকে বেশি সময় বাইরে থাকতে দেওয়া যাবে না ।

    • ফ্রিজের কোনো খাবার বা পানি কুকুরকে খেতে দেওয়া যাবে
    না ।

    • কুকুর অসুস্থ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে । ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বৃদ্ধ ও অসুস্থ কুকুরকে নিয়মিত ব্যায়াম করাতে হবে ।
  • নতুন পাখি কিনবেন?

    নতুন পাখি কিনবেন?

    নতুন পাখি কিনবেন? যদি কিনতে চান তাহলে প্রথমেই আপনাকে কিছু ব্যপার মাথায় রাখতে হবে। সময় থাকলে এই article টি পড়তে পারেন। আশা করি আপনার কাজে লাগবে। 
    • বাচ্চা পাখি কেনার চেস্টা করবেন(৩-১০ মাস) বিশেষ করে যদি আপনি নতুন হন ককাটিয়েল এর ব্যপারে আপনার যদি ভালো অভিজ্ঞতা না থাকে।
    • টেম করার জন্য পাখি কিনতে চাইলে এমন পাখি কিনুন যেটা মাত্র সিড খাওয়া শুরু করেছে অল্প খেতে পারে কিন্তু ভালো মত উড়তে পারেনা। এমন পাখি কিনলে আপনার হ্যন্ড ফিডিং করানো লাগবেনা।  এখানে কোন নির্দিষ্ট বয়স বলা যাচ্ছেনা কারন  সব পাখির গ্রোথ একরকম হয় না।
    • কখনই ডিম সহ বা বাচ্চা সহ জোড়া কিনবেন না।
    • অবশ্যই পাখি কেনার আগে ভালো মত দেখে কিনবেন অসুস্থ কি না বুঝার চেস্টা করবেন।
    • যার কাছে থেকে পাখি কিনবেন সে পাখিদের কেমন পরিবেশ দিচ্ছে, কি খাওয়াচ্ছে এটা অনেক বড় বিষয়। এই ব্যপার গুলো খেয়াল রাখবেন। অনেকেই পাখি কেনার পর বলে যে তার পাখি সিড মিক্স ছাড়া কিছু খায় না। নেস্ট বক্স এ বাচ্চা আছে কিন্তু সফট ফুড খায়না বাচ্চাদের ও খাওয়ায় না। এর কারন হচ্ছে ছোট বেলা থেকে সব ধরনের খাবারের অভ্যাস করানো হয় নাই। আর শুধু সিড খাওয়া পাখি থেকে ভালো কিছু আশা করা যায়না। এরা ভালো ব্রীড করবেনা আর একটুতেই অসুস্থ হয়ে পড়বে।
    • মনে করেন আপনি ১০ মাস বয়সী পাখি কিনলেন। পাখির শারীরিক ও মানসিক গঠন প্রথম ৬ মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ হয়। যদি আপনি এমন কোথাও থেকে পাখি কিনেন আর সেখানের পরিবেশ ভালো না হয়, অসাস্থ্যকর হয় তাহলে ওই এভায়েরির পাখি থেকে ভালো কিছু আশা করা যায়না।
    • কখনো জোড়া ভেঙ্গে সিঙ্গেল পাখি কিনবেন না। পাখির মস্তিস্ক অনেক বেশি উন্নত। এদের যখন জোড়া করে রাখা হয় তখন সঙ্গী পাখির সাথে সম্পর্ক হলে সেটা খুব ঘনিস্ট হয়। আপনি চাইলেই তাকে ধরে এনে অন্য একটা পাখির সাথে জোড়া দিতে পারবেন না। সবসময় জোড়া নিবেও না।
    • যদি ব্রীডিং এর উদ্দেশ্যে পাখি কিনেন তাহলেও বাচ্চা কেনা উচিত। আর যে বাচ্চা কিনবেন চেস্টা করবেন তার প্যরেন্টস এর ডিম পারা আর ফুটানর রেট জানতে। কারন ব্রীডিং শুধু মাত্র ভালো খাবার আর পরিবেশ এর উপর নির্ভর করেনা এর সাথে শক্তিশালী জেনেটিক্স ও দরকার। সব পাখি ব্রীডিং এর জন্য ভালনা। কিছু পাখি ভালো কথা বলতে পারে, কিছু পাখি বন্ধু হিসেবে ভালো।
    • সর্বোপরি আপনি পাখি যদি ভালোবাসেন তাদের সময় দিতে পারেন তাহলে পাখি কিনেন না হলে না। পাখি কেনার আগে তাকে কিভাবে রাখবেন সেটা চিন্তা করেন। আর বারবার পাখির বাসস্থান পরিবর্তন করলে মানসিক চাপ পড়ে পাখির উপর তাই এমন জায়গায় পাখি রাখবেন যেখান থেকে অন্য কোথাও সরানো লাগবেনা।
    • খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে অনেকেই কম দাম দিয়ে ভালো পাখি কিনতে চায়। কিন্তু ভালো জিনিষের দাম কখনই কম হয় না। কথায় আছে যত গুর তত মিস্টি। আরে ভাই আপনি যদি ৫০০০ টাকা খরচ করে একটি পাখি কিনতে পারেন আর ১০০০ টাকা বেশি খরচ করতে কি সমস্যা? মনে রাখবেন সস্তার অনেক রকম অবস্থা হয়। আবার এর মানে এই না যে আপনি খারাপ মানের পাখি অনেক বেশি দাম দিয়ে কিনে আনবেন। আপনি খেয়াল করবেন যে পাখির মালিক পাখির কেমন যত্ন নিচ্ছে, পাখিকে কেমন সুযোগ সুবিধা দিয়েছে সে অনুযায়ী দাম চিন্তা করবেন। যে শুধু সিডমিক্স দিয়ে পাখি পালে তার পাখির দাম আর যে ৫ রকম খাবার দিয়ে পাখি পালে তার পাখির দাম তো এক হবেনা।
    • নতুন পাখি কেনার পর ৩ দিন পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ রাখতে পারে। কারন নতুন পরিবেশে এসে এদের মানিয়ে নিতে সময় লাগে। আর যেভাবে আমরা ছোট একটা প্যকেট এ করে পাখি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাই এতে করে অনেক চাপ পড়ে তাদের উপর।
    • চেস্টা করবেন বিশ্বস্ত এবং পাখি ভালোবাসে এমন কার কাছে থেকে পাখি কিনতে। কারন তারাই পাখির যত্ন নেয় যারা পাখিকে সত্যিই ভালোবাসে।
  • যেভাবে আপনি লাভ বার্ডের ৫টি ডিম থেকে ৫টি বাচ্ছা পাবেন

    যেভাবে আপনি লাভ বার্ডের ৫টি ডিম থেকে ৫টি বাচ্ছা পাবেন

     Bd Islamic Reminder (বিডি ইসলামিক রিমাইন্ডার)
    প্রতিটি পাখি পালকের পাখি পালার ধরন আলাদা, তাই আমি যা করি তাই ঠিক আর অন্যরা ভুল এমন নয়, তবে আমার এখানে যদি কোন ভুল আপনার মনে হয় দয়া করে কমেন্টে জানাবেন।

    ধাপ ০১ পাখির থাকার জায়গা নির্বাচনঃ
    আপনাকে পাখীর জন্য নিরাপদ জায়গা নির্বাচন করতে হবে। পাখি কিনার আগে ভাল করে ভেবে দেখুন আপনি যেখানে পাখি পালতে চান সেটা পাখিদের জন্য নিরাপদ কিনা। নিরিবিলি পরিবেশ পাখিদের জন্য নিরাপদ, যেখানে সহজে বেড়াল, ইদুর ইত্যাদি সহজে যেতে পারেনা, পর্যাপ্ত আলো বাতাস আছে।

    ধাপ ২ পাখির খাঁচা নির্বাচনঃ
    পাখির জন্য আদর্শ খাঁচা নির্বাচন করতে হবে। আমি ২০*১৮*১৮ মাপের খাঁচা দেই, যা ভালটা মিরপুরে ৭০০টাকা আর নরমারটা ৫০০টাকা। কাচায় প্লাস্টিকের লাঠি না দিয়ে কাঠের লাঠি ব্যবহার করবেন, আমি গাছের ডাল ব্যবহার করি। চেষ্টা করি নীমের ডাল দেয়ার। পানির পাত্র হিসাবে ভাল প্লাস্টিকের ফিল্টার দাম ২৫/৫০ টাকা আর খাবারের পাত্র অবশই স্টিলের। লাভ বার্ডের ঠোট অনেক শক্ত তাই প্লাস্টিকের দিলে ওরা কামড়িয়ে খেয়ে ফেলতে পারে। পরে পাখি অসুস্থ হয়ে যেতে পারে এমনকি মরেও যেতে পারে।

    ধাপ ০৩ পাখি নির্বাচনঃ
    লাভ বার্ড ২ রকমের রিং বার্ড আর নন রিং বার্ড। ২টা পাখি ২ রকম (রিং বার্ড আর নন রিং বার্ড) হতে পারবে না। হয় ২টাই রিং বার্ড নয় ২টাই নন রিং বার্ড হতে হবে। পাখিদের বয়স মিনিমাম ১ বছর, সুস্থ সবল পাখি আপনাকে নির্বাচন করতে হবে। অবিজ্ঞ কাউকে দিয়ে কনফার্ম হবেন আপনার পাখি মেইল ফিমেল ঠিক আছে কিনা।

    ধাপ ০৪ মেডিসিন কোর্স এবং খাবারঃ
    পাখিকে বেলেন্সড খাবার দিতে হবে। গরমে তেল জাতীয় খাবার (যেমন সূর্যমুখী) কমিয়ে দিতে হবে, শীতে বাড়িয়ে দিতে হবে। এই ব্যাপারে মির্জা ইস্কান্দার ভাইয়ের লিস্ট ফলো করে পারেন।
    প্রতিমাসে একবার ক্যালসিয়াম, জিংক, ভিটামিন ইত্তাদির কোর্স করাবেন। পাখিকে ভিজানো ছোলা, সেদ্ধ ভুট্টা, বিভিন্ন রকমের শাক যেমন কলমি , লালা শাক, পুই শাক, বাঁধাকপি খাওয়ানো শিখাবেন। সপ্তাহে ২ দিনের বেশি কলমির শাক দিবেন না। এতে পাখির পুপ্স পাতলা হয়ে যায়। ভুলেও পুই শাক, কচুর শাক, চকলেট, টেঙ্কের সরবত দিবেন না ;) ।

    ধাপ ৫ হাড়ি ও নেস্টিং মেটেরিয়ালঃ


    এবার পাখি যদি আপনার খাবার, পরিবেশ আর আপনার সাথে মানিয়ে নেয় তখন আপনার উচিত নেস্টিং মেটেরিয়াল দেয়া। নেস্টিং মেটেরিয়াল হিসাবে শুকণো খেজুর পাতা, শুকণো ধানের খড় ভাল সাথে নীমের পাতা রাখতে পারলে অনেক ভাল। করন এতে হাড়ি বা বক্সে পোকা হবে না। নন রিং লাভ বার্ড কম নেস্টিং করে তাই আপনি এদের হাড়িতে কিছু নেস্টিং মেটেরিয়াল দিয়ে দিতে পারেন। সুলতান বাবু ভাই এর কর্ণ কোব ও ব্যবহার করতে পারেন। আবার কাঠের গুড়া যেটা আপনার জন্য সংগ্রহ করতে সুবিধা হয়।
    আমি বেক্তিগত ভাবে হাড়ি বেবহার করি। আপনি বক্স ও ব্যাবহার করতে পারেন।

    ধাপ ৬ অপেক্ষাঃ

     ;) J J এবার আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে কবে পাখি ডিম দিবে। ডিম দেয়ার ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যেই আশা করা যায় বাচ্ছা পেতে শুরু করবেন। বাচ্ছা পাবার পর আপনার কাজ বেড়ে গেল। সিড মিক্সের সাথে প্রতিদিন সফটফুড দিবেন, শাক, ভিজানো ছোলা, শেদ্দ ভুট্টা, হার্ড বয়েল মুরগির ডিম। অবশ্যই ২ ঘন্টার বেশি রাখবেন না। শাক কেটে দিবেন, হার্ড বয়েল মুরগির ডিম ভেঙ্গে গুড়া করে দেবেন। প্রতি দিন এটা চেস্টা করবেন। আসলে যদি আপনি খালি সিড মিক্স দেন তবে পাখির অনেক সময় লেগে যায় সিড মিক্সকে চিবিয়ে বাচ্চাদের জন্য রেডি করতে। আর পাখিরাও ক্লান্ত হয়ে যায়, তাড়াতাড়ি। তাই বাচ্চারা যত বড় হয় পাখিদের প্রেশার তত বাড়ে। একসময় পাখি আর খাবার কাইয়ে শেষ করতে পারেনা। তাই বাচ্চা মারা যায়। তাই আমি বলি সফট ফুড দিতে। আর এগুলো বাচ্চা দেবার আগেই দিবেন না হলে এই সব খাবারের সাথে পাখি অভ্যস্ত হতে পারে না।

    ধাপ ৭ খাঁচা পরিস্কারঃ
    সপ্তাহে ১ বার না পারলে ১০ দিনে একবার পাখির খাঁচা পরিষ্কার করবেন। এতে পাখিদের রোগ বালাই কম হবে। বাচ্ছা ফুটার ৩০ দিন পর হাড়ী পরিষ্কার করে নতুন হাড়ি দিবেন। আগে কাঠের গুড়া দিয়ে তার উপর বাচ্চা গুলা রাখবেন। আগের হাড়ি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১ দিন তারপর আপনার পরিষ্কার করতে সুবিধা হবে। পরিষ্কার করে ভাল করে শুখান। তার পর এতে কাগজ ভরে আগুন জালিয়ে দিন। সব জিবানু মরে যাবে। আর যদি এই সব করতে না ভাল লাগে ফেলেদিন। ৩০টাকা দিয়ে নতুন হাড়ি কিনবেন পরের বার। যেটা আপনার জন্য সুবিধা।

    বাচ্চার বয়স ৪৫ দিন হলে এই হাড়ি ও বেরকরে ফেলুন এবং মালসা দিয়ে দিন। দেরি করলে পাখি আবার মেটিং করে ডিম দিয়ে দিতে পারে। বাচ্চাদের বাবা মায়ের সাথে ৬০/৭০ দিন রাখবেন। যখন দেখবেন পাখির বাচ্চারা আর মালসায় বসে না সরিয়ে নিন মালসাটা।


    আশাকরি আপনি এই ৭ ধাপ ফলো করলে ভাল ফল পাবেন। ভুল পেলে ধরিয়ে দিন। আমার ও নতুন কিছু শিখা হবে। ভাল থাকুক আপানার পাখি। 
  • ককাটিয়েল এর নেস্ট বক্স আর নেস্টিং উপাদান

    ককাটিয়েল এর নেস্ট বক্স আর নেস্টিং উপাদান

     Bd Islamic Reminder (বিডি ইসলামিক রিমাইন্ডার)
    ব্রিডিং এর জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নেস্ট বক্স আর নেস্টিং উপাদান। প্রত্যেক জোড়া পাখিদের আলাদা আলাদা নেস্ট বক্স থাকতে হবে। এক জোড়ার বক্স অন্যদের দেয়া যাবেনা। এক বক্স তিন বার এর বেশি ব্যাবহার করা  যাবেনা।
    নেস্ট বক্স এর সাইজ কেমন হবে? নেস্ট বক্স এর সাইজ ৯”-১১”-১২” হতে হবে। নেস্ট বক্স টিতে ২” মুখ থাকতে হবে। নেস্ট বক্স এর ভিতরে নিচে কাগজের তোয়ালে দিয়ে কয়েকটি স্তর বানিয়ে দিতে হবে যা আদ্রতা শোষণ করে বাচ্চাদের সুস্থ রাখবে। নেস্ট বক্স এর ভিতরে তলায় অবশ্যই ডেন্ট বা কনকেভ বা গর্তের মত করে দিতে হবে যা ডিম গুলকে স্থির থাকতে সাহায্য করবে। কিছু পাখি কাগজের তোয়ালে ফেলে দিতে পারে তাদের কাপড়ের তোয়ালে দিতে হবে। আমরা যেসব নেস্টিং উপাদান ব্যবহার করে থাকি যেমন কাঠের ছোলা, গুরা এই ধরনের জৈব উপাদান খুব বেশি ব্যক্টেরিয়া বাড়াতে সাহায্য করে। কাঠের গুরা ব্যবহার করলে পাখির এবং বাচ্চাদের রেস্পাইরেটরি ইনফেকশন হবে। কাঠের ছোলা ব্যবহার করলে পাখির বাচ্চারা খেয়ে ফেলবে পাকস্থলীতে ইনফেকশন হবে। কেউ তোয়ালে না দিতে পারলে অন্তত খবরের কাগজ কয়েকটা ভাজ দিয়ে দিয়েন। Source: Avian Medicine Principles and Practices by Dr. Branson Ritchie, Dr. Greg Harrison and Linda Harrison 1997)
  • অসুস্থ পাখি ঔষধ না খেতে চাইলে যা করবেন।

    অসুস্থ পাখি ঔষধ না খেতে চাইলে যা করবেন।

     Bd Islamic Reminder (বিডি ইসলামিক রিমাইন্ডার)
    অসুস্থ পাখি প্রায়ই ঔষধ খেতে চায়না। এই সমস্যা বেশি হয় যখন পাখি গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায় যখন ঔষধ খাওয়ান বেশি জরুরী। তাহলে কিভাবে কি করবেন? কিভাবে খাওয়াবেন? আমি কিছু টিপস দিচ্ছি যা আমার পাখিদের উপর প্রয়োগ করে আমি সফল।
    1. ভেজানো পাউরুটির উপর পরিমান মত ঔষধ ছিটিয়ে দেয়া। আপনার পাখি যদি ভেজানো পাউরুটি খেতে পছন্দ করে তাহলে এই উপায়ে সফল হতে পারবেন। আমি বেশ কিছুদিন ধরে একটা পাখিকে এইভাবে ঔষধ দিয়েছি। ঐ পাখিটা সুস্থ হয়ে গিয়েছে।
    2. এগফুড বা সফট ফুড এর সাথে ঔষধ মিশিয়ে দিতে পারেন। আপনার পাখি যদি এই ধরনের খাবার অনেক বেশি পছন্দ করে তাহলে পরিমান মত ঔষধ সঠিক মাত্রায় মিশিয়ে দিতে পারেন। সব ঔষধ এর প্যকেট এর গায়ে খাবারের সাথে মিশানোর মাত্রা দেয়া থাকে সেটা ফলো করতে হবে।
    3. ফল বা সবজি যদি আপনার পাখির প্রিয় খাবার হয় তাহলে পরিমান মত ঔষধ ফল বা সবজি কুচি করে তার সাথে মাখিয়ে দিতে পারেন।
    4. এগুলতে যদি কাজ না হয় পাখির অবস্থা যদি বেশিই খারাপ হয় তাহলে হ্যন্ডফীড করাতে হবে। মনে রাখবেন হ্যন্ডফীড অনেক অনেক সাবধানে করতে হবে। প্রত্যেকবার ১ মিলি. পরিমান ঔষধ মিশান পানি ড্রপার দিয়ে খাইয়ে দিবেন।
  • কিভাবে বিড়ালছানাকে লিটার বক্স(Litter Box potty train) এর জন্য প্রশিক্ষন দিবেন

    কিভাবে বিড়ালছানাকে লিটার বক্স(Litter Box potty train) এর জন্য প্রশিক্ষন দিবেন

    বিড়ালছানা স্বাভাবিক ভাবে নিজেদের ময়লা বা বালি থেকে  দূরে রাখতে চায় ।আপনি যদি একটি লিটার বক্সর সাথে পরিচয় করিয়ে  দিতে পারেন ,তারা আনন্দের সাথে আপনার কার্পেট এর পরিবর্তে সেখানে যাবে। যদি আপনি বিড়ালছানাকে বাড়িতে নিয়ে আসার সাথে সাথে শুরু করেন, তবে তারা নিয়মিতভাবে বক্সটি ব্যবহার করবে আপনি আপনার বাচ্চার জন্য সঠিক বক্সটি খুঁজে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ব্যবহার জন্য তাকে উৎসাহিত করুন।

    ১/একটি বড় লিটার বক্স নির্বাচিত করুন
    ছোট বক্স সহজে পাওয়া যায় ছোট বিড়াল এর জন্য কিন্তু বিড়াল ছানা এত দ্রুত বেড়ে যায় যে বিড়ালছানা লিটার বক্সর সাথে পরিচিত হবার পরে  এটা পরিবর্তন করতে হয়। যখন আপনি লিটার বক্স পরিবর্তন করবেন তখন বিড়ালছানাকে পুনরায় প্রশিক্ষণ করাতে হবে। তাই আপনাকে দীর্ঘ সময়ের  বাবহারের কথা চিন্তা করে  বড় লিটার বক্স বাবহার করা ভাল ।
    বড় লিটার বক্সে যেতে বিড়ালছানার কোন সমস্যা হয় না, একপাশে যথেষ্ট  কম হয় যাতে তারা ভিতরে যেতে পারে ।আপনি যদি একটি ভাল বক্স পেয়ে যান কিন্তু আপনি নিশ্চিত না যে, তারা আবহাওয়া সাথে মানিয়ে নিতে সক্ষম , এক টুকরা প্লাইউড অথবা ফ্লাট মেটারিআল বাবহার করে ছোট রেম্প বানিয়ে ফেলুন এটি ডিলার টেপের সাহায্য লিটার বক্সর পাশে লাগান এবং সরিয়ে ফেলুন যখন বিড়ালটি যথেষ্ট  বড় হয় ।
    ২/একটি সংযুক্ত  লিটার বক্স বিবেচনা করুন
    কিছু লিটার বক্সের চারপাশে ঘেরা বা টপ থাকে ।সংযুক্ত  লিটার বক্সর সুবিধা হল
    কিছু বিড়াল সুরক্ষিত মনে করে এই লিটার বক্সে ।
    <লিটার বক্সটি বড় হয় তা নিশ্চিত করুন , বিড়ালগুলি বক্স ভিতরে গুরার জন্য যথেষট জায়গা প্রয়োজন।
    <কিছু বিড়ালরা প্রথমে তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া বক্সটি পছন্দ করে না ।বিড়াল বক্সর সাথে পরিচিত না হওয়া পর্যন্ত জুলন্ত দরজা সরিয়ে ফেলুন ।
    ৩/কিটি লিটার কিনুনঃ
    বেশিরভাগ কিশোর বা বয়স্ক বিড়াল (৮ মাস বা তার বেশি বয়সের )জন্য লিটার বেছে নেওয়া হয় ।ধুলামুক্ত একটি লিটার নির্বাচন করুন । যেহেতু ধুলা বিড়ালদের ফুসফুসে জ্বালাতন করতে পারে ।আপনি আপনার পছন্দের ব্যাপারে  কারনগুলি মনে রাখতে পারেন ।

    <যদি সম্ভব হয় সাধারণ লিটার বাবহার করুন কারণ বিড়াল সুগগ্ধি লিটার পছন্দ করে না ।যদি গন্ধ অত্যধিক হয় তবে তারা অন্য কোথায় টয়লেট বাবহার করতে পারে ।কিছু গন্ধ বিড়ালের চোখ এবং নাক বা শ্বসন এর সমস্যার কারণ হতে পারে।
    <একটি স্কপেবল লিটার বিবেচনা করুন ।স্কপেবল লিটার জনপ্রিয় পছন্দ হয়ে উঠেছে  কারণ এটা থেকে সহজে ময়লা তোলা যায় ।সতর্ক থাকুন ,কিছু চিন্তা আছে যে বিড়াল অসুস্থ হতে পারে স্কপেবল লিটারে কিন্তু এই ঘটনার সামান্য প্রমাণ আছে ।
    <এমন একটি লিটার নির্বাচন করুন যা সহজে পাওয়া যায় ।কিছু বিড়াল নিদিষ্ট লিটারের সাথে অভ্যাস্ত হয়ে যায় এবং যদি না প্রচলিত লিটার না পায় তাহলে তারা টয়লেট জন্য ট্রে চিনতে পারে না ।

    ৪/ একটি  ড্রপার এবং ড্রপ কাপড় ক্রয় করুনঃ
    সর্বশেষ আপনার বাড়ি  থেকে বিরক্তিকর লিটার প্রতিরোধ করার জন্য লিটার বক্সর থেকে ময়লা অপাসারনের জন্য  ড্রপার এবং ড্রপ কাপড় বাবহার করুন ।
    মেথড
    লিটার বক্সের সাথে বিড়ালছানাকে পরিচয় করা

    ১/বক্সটি নিরিবিলি স্থানে রাখুনঃ
    বক্স টি এমন স্থানেরাখবেন না যেখানে বাড়ির মানুষের চলাচল বেশি যেমনঃরান্নাঘর বা ঘরের প্রবেশ মুখে। আদর্শ বিড়ালের খাঁচায় সহজে এরা ঢুকতে পারে ভাল সুরক্ষা থাকায়। হঠাৎ উচ্চ শব্দে ভয় পায় না বিড়াল সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
    >যদিও  লনডি রুম অনেকের পছেন্দের স্থান কারন বাড়ির অন্যান্য স্থানের চেয়ে এখানে লোকজন কম আসে ।কিন্তু ওয়াশিং মেশিং চলার হঠাৎ  শব্দে বিড়ালটি ভয় পেতে পারে ।যা তাকে বক্স বাবহারে ভীত করে দিতে পারে ।
    >বিড়াল যে জায়গায় বেশি সময় কাটায় সেখানে বক্সটি রাখতে হবে ।ফলে বক্সটি প্রায়ই বিড়ালের চোখে পড়বে এবং প্রয়োজনে বক্সটি বাবহার করবে ।
    <বিরালছানারা একটু নির্জন স্থান পছন্দ করে ।এ রকম স্থানের অভাব হলে তারা সোফার কোণায় বা বাইরের কোন কোণায় আশ্রয় নিতে পারে ।
    <যদি আপনি বিড়াল কে লিটার বক্স  প্রশিক্ষণ শুরু করেন এবং এটি স্তানান্তর করা প্রয়োজন ,তাহলে ধীরে ধীরে করুন,কিছু দিনের মধ্যে কয়েক ফুট করুন।বক্সটি একদিন এক ঘর থেকে অন্য ঘরে স্তানান্তরিত হলে ঘরের চারপাশে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।এটা আপনাকে সাহায্য করবে ,যেখানে বিড়ালের খাবারের বাটি সেখানে লিটার বক্স  বাবহার করা কারণ বেশিরভাগ বিড়াল যেখানে খায় সেখানে টয়লেট বাবহার করে থাকে।
    ২/বিড়ালছানাকে ভতি লিটার বক্সে রাখুনঃ
    যখন আপনি বিড়ালকে বাড়িতে আনবেন ,তাকে বক্সে রাখুন যাতে তারা গন্ধ এবং কিটি লিটারের সাথে অভ্যস্ত হতে পারে।তাকে সেখানে কয়েক মিনিট সময় কাটাতে দিন, এমনকি সে প্রথম বার বাথ্রুমে না যায়।খাবার বা ঘুম থেকে উঠার পর বা অবসর সময়ে বিড়ালছানাকে বক্সে রাখুন ।যদি তারা অন্য কোথায় টয়লেট করে তাহলে  লিটার বক্সকে অবিলম্বে সেখানে স্থাপন করুন ।
    <কিছু বিড়ালছানা অবিলম্বে লিটার বক্সের উদ্দেশ্য বুঝতে পারে তাদের অতিরিক্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না।অন্যদের ক্ষেত্রে দশবার হিসাবে লিটার বক্সে স্থাপন করা প্রয়োজন হয় ।
    <বিড়ালছানা তাদের মলের পরে,গর্ত করে লুকিয়ে রাখে ,এটা প্রদশন থেকে আপনি    এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন, এতে তারা ভয় পেতে পারে ।তাকে তার থাবা দিয়ে গর্ত করতে সাহায্য করুন যতক্ষণ না সে লুকানো শেষ হয়।

    /প্রশংসা করুন,শাস্তি নয়ঃ
    যখন বিরালছানা বড় হয়ে লিটার বক্সকে টয়লেট হিসেবে বাবহার শুরু করে,তখন তাকে আদর করে বা সান্ত্বনা শব্দ দিয়ে প্রশংসা করুন ।বক্সে থাকাকালীন তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করবেন না ,অথবা শাস্তি দিয়ে তাকে বক্সে থাকা শুরু করাতে পারেন ।
    • <Kittens do not respond well to having their noses rubbed in a mess they have made outside the litter box. If she has an accident, let her sniff the mess, then gently lift her and put her in the box, so she knows where to go next time.

    <কখনই বিড়ালকে মেরে বা চিৎকার করে শাস্তি দিবেন না। এতে আপনার প্রতি ভয় কাজ করবে ।
     ৪/ যথেষ্ট লিটার বক্স প্রদান করুনঃ
    যদি  সম্বব হয় প্রতিটি বিড়ালের জন্য আলাদা লিটার বক্স থাকা উচিত ,সাথে একটি অতিরিক্ত থাকতে পারে ।
    <উদাহরণস্বরূপ একটি বিড়ালের জন্য আদর্শভাবে ২ টি বক্স বাছাই করা উচিত ।যদি আপনার ৩ টি বিড়াল থাকে আপনি ৪ টি বক্স দেওয়া উচিত ।
    ৫/ বন্দিদশা সময়ঃ
    যখন আপনি বিরালছানাকে আপনার বাড়ির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবেন তখন কয়েক সপ্তাহের জন্য ছোট এলাকায় আটকিয়ে রাখতে পারেন ।এটা তাকে নতুন পরিবেশের সাথে   অভ্যাস্ত হতে সাহায্য করে,তাকে দেয়া লিটার বক্সে সহজে প্রবেশের জন্য এবং দূঘটনা কমাতে সাহায্য করতে পারে ।
    <আপনি কার্পেট ছাড়া পুরো এলাকাটা তৈরি করতে পারেন, যাতে বিড়াল দূঘটনা ঘটালে আপনি সহজে পরিস্কার করতে পারেন ।
    <কারাবাস এলাকার বিপরীত পাশে  লিটার বক্স,খাবার এবং বিছানা রাখতে পারেন ।
    মেথড
    আপনার বিড়াল কে আরামদায়ক রাখুন
    /প্রতিদিন লিটার পরিষ্কার রাখাঃ
    বিরালছানারা নোংরা পরিবেশে মলত্যাগে পছন্দ করে না।যদিনা আপনি  লিটার প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করেন,তবে এরা মলত্যাগে জন্য পরিষ্কার জায়গা বের করে নিবে এবং সেখানে তাদের কাজ সম্পাদন করবে যেমন ধরুন আপনার কার্পেট ।
    <লিটারবক্স থেকে ময়লা গুলো সরিয়ে নেওয়া জন্য বেলচা বাবহার করা যেতে পারে,তারপর সে গুলো কে ছোট ব্যাগে করে ব্যাগের মুখ বন্দ করে সে গুলোকে অপসারণ  করা যেতে পারে ।
    <আপনি প্রথম সপ্তাহে লিটারবক্সে বিড়ালছানাদের কিছু মল রেখে দিতে পারেন। এতে করে তারা সহজে চিনতে পারবে লিটারবক্স টা কিসের জন্য তারা বাবহার করবে ।
    ২/সম্পুন লিটারবক্স টা পুনঃ পুনঃ পরিষ্কার করাঃ            
    সপ্তাহে একবার লিটার প্যান এর সবকিছু বের করে পরিষ্কার করা ।লিটারবক্স থেকে লিটার প্যান কে আলাদা করে নিরাপদ পরিস্কারক দ্রবন (অথবা সাবান মিশ্রিত গরম পানি) দিয়ে পরিষ্কার করা, এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে প্যান টি ধুয়ে  শুকিয়ে,তাতে পুনরায়  লিটার বিছিয়ে দেয়া ।
    <বিড়ালের মলগুলো পরিষ্কার করাতে,এটা বিড়ালের জন্য আরো আরামদায়ক হয় এক সপ্তাহের বেশি সময়ের জন্য।যাইহোক লিটারটি পুরোপুরি খালি করে,পুনরায় প্রতিস্তাপন করুন।
    ৩/দুর্ঘটনাযক্ত জায়গা ভাল করে পরিষ্কার করাঃ
    যদি আপনার বিড়াল ছানা লিটারবক্স ছাড়া অন্য কোথায় মল ত্যাগ করে তবে সেই জায়গা ভাল করে পরিষ্কার করে ফেলা।মল-মুত্রের চিহ্ন গুলো পরিস্কার করা ।এতে করে ঐ জায়গায় পুনরায় দুর্ঘটনা ঘটবে না।
  • বাড়িতে সহজে তিতির পালন

    বাড়িতে সহজে তিতির পালন

    আসুন জেনে নেই বাড়িতে কিভাবে তিতির পালন করতে হবে

    তিতির নামটির সঙ্গে অনেকেই পরিচিত । পৃথিবীতে পোল্ট্রির যে ১১টি জাত আছে তাঁর মধ্যে তিতির একটি জাত । এটি আমাদের গ্রামবাংলায় চাইনীজ মুরগী নামেও পরিচিত । এটি বর্তমানে আমাদের দেশে প্রায় অনেকেই চাষ করছেন । তবে এই তিতির বর্তমানে বিলুপ্তির পথে । এটি সাধারণত সৌখিন লোকেরাই চাষ করে থাকে । তবে বর্তমানে এটি বানিজ্যিকভাবে পালন করা হচ্ছে । এটিকে হাঁস মুরগীর সাথে একত্রে পালন করা যায় । এই তিতির চাষে অনেকেই বর্তমানে সাবলম্বী হচ্ছে । এই তিতির মুরগী দেখতে অনেক সুন্দর এবং বড় । আপনি ইচ্ছা করলে এই তিতির আপনার বাড়িতে পালন করতে পারেন । আসুন জেনে নেই কিভাবে আপনি বাড়ীতে এই মুরগীর পালন করবেন । 

    তিতির পালনে কি ধরণের খাঁচা বা ঘর বাছাই করবেন  

    বাড়িতে তিতির পালন করার জন্য আপনাকে প্রথমে উপযুক্ত ঘর তৈরি করতে হবে । এক্ষেত্রে বেশ কিছু পদ্ধতি আছে । এক্ষেত্রে আপনি তিতির ঘর বানানোর জন্য বাঁশ, বেত, টিন, ছন, খড় ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন । ঘরের বেড়া বাঁশের দরজা বা কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি করতে হবে । এছাড়া মাটির দেয়ালও তৈরি করা যাবে । বেড়া বা দেওয়ালে আলো বাতাস চলাচলের জন্য ছিদ্র থাকতে হবে । তিতির খোলামেলা পরিবেশেও পালন করা যায় । কিংবা আপনি অর্ধ আবদ্ধ অবস্থায় পালন করতে পারেন । 

    তিতিরের  জাত বাছাই করা  

    পৃথিবীতে বর্তমানে তিতিরের ৩টি মাত্র জাত রয়েছে । তাঁর মধ্যে রয়েছে পার্ল ভ্যারাইটি, লেভেনডার ভ্যারাইটি, হোয়াইট ভ্যারাইটি । তবে আমাদের দেশের আবহাওয়ার সাথে মিল রেখে পার্ল ভ্যারাইটি জাতটি পালন করা সহজ । 

    তিতির পালন করার সঠিক সময় 

    বাড়িতে তিতির পালন করার জন্য তেমন কোন নির্দিষ্ট সময় ধরাবাধা নেই । আপনি ইচ্ছা করলে বছরের যেকোন সময়ে তিতির পালন করতে পারেন । তবে মার্চ মাস থেকে অক্টোবর মাসে তিতির প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয় । এসময় তিতিরের পালন করা উত্তম । 

    কিভাবে তিতির পালন করবেন ও সঠিক নিয়মে যত্ন নিবেন

    আমাদের দেশের আবহাওয়ার সাথে মিল রেখে যে পার্ল ভ্যারাইটি জাতটি পালন করা হয় সেটি পালন করা অত্যন্ত সহজ । তিতিরের ডিম দেশী মুরগীর মাধ্যমে ফুটানো যায় ।  যে তিতির পাখি পাওয়া যায় সেটি পার্ল বা ধুসর বর্ণের । তিতির কে মূলত তিন অবস্থায় পালন করা যায় । ১। মুক্ত অবস্থায়, ২। অর্ধ মুক্ত অবস্থায়, ৩। বন্ধ অবস্থায় । বাড়িতে হাঁস মুরগী এর সাথে তিতির পালন করা যায় । 

    সঠিক নিয়মে তিতির পালনের পদ্ধতি/কৌশল 

    বাড়িতে তিতির পালন করা অনেক সহজ । তবে তিতির পালনে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে । তিতিরের বাচ্চা সাধারণত মুরগীর বাচ্চার চেয়ে একটু বেশি ঠান্ডায় অধিক সংবেদনশীল । তাই তিতিরের বাচ্চাকে প্রথম সপ্তাহে ব্রুডারে একটু বেশী তাপমাত্রায় রাখতে হবে । তিতিরের বাচ্চা একটু বড় হলে তিতিরের বাচ্চার জন্য ব্রুডারে  তাপমাত্রা কমিয়ে আনতে হবে । তিতিরের বাচ্চা সাধারণত ডিম থেকে হয়ে থাকে । কিন্তু খেয়াল রাখবেন তিতির খুব অলস জাতের পাখি । এরা নিজেদের ডিম খুব বেশী একটা উম দেয় না । কিংবা দেখা যায় যদি উম দেয় তবে দুই একটি বাচ্চা ফুটলে এরা উঠে চলে যায় । তাই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর ব্যপারে বেশ সতর্ক হতে হবে । তিতিরের ডিমের রঙ দেখতে অনেক সুন্দর । এর ডিম হালকা বাদামি থেকে ঘন বাদামি হতে পারে । তিতিরের ডিমের গায়ে অনেক সুন্দর ছোট ছোট দাগ দেখা যায় । তিতিরের ডিম সাধারণত প্রচুর শক্ত হয় । 

    তিতিরের খাবারের পরিমাণ ও সঠিক নিয়মে খাবার প্রয়োগ

    তিতির সাধারণত দেশী মুরগীর মত পালন করতে হবে । দেশি মুরগীর মত তিতিরের খাবার সাধারণত সহজলভ্য । তিতির পালনে আলাদা কোন সুষম খাবারের প্রয়োজন পড়ে না । বর্তমানে বাজারের ব্রয়লার মুরগি ও পশুখাদ্য মিক্সচারই তাদের সাধারণ খাবার । এছাড়াও তিতির সাধারণত বাইরে ঘুরে ঘুরে তাঁর নিজের খাবার নিজেই সংগ্রহ করে নিতে পারে । এছাড়াও তিতির সাধারণত বেশ কিছু খাবার খেয়ে থাকে । যেমন ফেলে দেওয়া এঁটোভাত, তরকারি, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গম, ধান, পোকামাকড়, শাক সবজির ফেলে দেওয়া অংশ, ঘাস, লাতাপাতা, কাঁকর, পাথর কুচি ইত্যাদি তিতির কুড়িয়ে খায় । তবে যদি আবদ্ধ অবস্থায় তিতির পালন করা হয় তাহলে তিতিরকে অবশ্যই নিয়মিত খাবার দিতে হবে । খেয়াল রাখতে হবে তিতিরের খাবার যেন কোন অসুবিধা না হয় । তিতির অবশ্য কুড়িয়ে খেতে পছন্দ করে । 

    তিতিরের রোগ বালাই ও তাঁর প্রতিকার 

    বাড়িতে তিতির পালন করার ক্ষেত্রে তিতিরের কয়েকটি রোগ বালাই দেখা যায় । তিতিরের মারাত্নক কয়েকটি রোগ উকুন, গোলকৃমি, রক্তআমাশয়, ট্রাইকোমোনিয়াসিস ইত্যাদি । এই সকল রোগের ব্যাপারে অবশ্যই টিকা দিতে হবে । তবে যদি কোন তিতির অসুস্থ্য হয় তাহলে উক্ত তিতিরকে যথাশীঘ্রই অন্যান্য তিতির থেকে সরিয়ে নিতে হবে । অসুস্থ্য তিতিরের সংস্পর্শে থাকলে বাকি সুস্থ তিতিরও আক্রান্ত হতে পারে । আর বেশী সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে । এছাড়াও তিতিরের বাচ্চা ডিম ফুটে বের হলে দেখা যায় এদের পা খোঁড়া হওয়ার প্রবনতা অনেক বেশি থাকে । তাই নিয়মিত যত্ন নিতে হবে । তবে তিতির পালনে আলাদা কোনো ভ্যাকসিন বা ওষুধও দিতে হয় না ।

    কিভাবে পাখি ও খাচার যত্ন ও পরিচর্যা করবেন 

    তিতির লালন-পালন পদ্ধতি অনেকটা দেশী মুরগির মতই । তিতিরের ঘরের আশেপাশের ঝোপ-জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করতে হবে । এবং তিতিরের ঘরে যেন পরিপূর্ণ আলো বাতাস প্রবেশ করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । তিতিরের পায়খানা ঘরের মেঝেতে যেন লেপ্টে না যায় সেজন্য ঘরের মেঝেতে ধানের তুষ, করাতের গুঁড়া ছিটিয়ে দিতে হবে । এছাড়াও যদি তিতিরের পায়খানা জমতে জমতে শক্ত জমাট বেঁধে গেলে বারবার তা উলট-পালট করে দিতে হবে । নিয়মিত তিতিরের ঘর পরিষ্কার করতে হবে । তিতিরের ঘরে যেন স্যাতসেতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । এবং যদি তিতির আবদ্ধ অবস্থায় পালন করা হয় তবে বেশি যত্ন নিতে হবে । 

    তিতিরের মাংস ও ডিমের খাদ্য গুণাগুণ    

    তিতিরের মাংস ও ডিমে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য গুণাগুণ বিদ্যমান । তিতিরের মাংস সুস্বাদু এবং ডিমের স্বাদ ও পুষ্টিগুন অনেক বেশি । অনেক বড় বড় হোটেল ও রেস্তোরায় এই তিতিরের মাংসের বেশ কদর আছে ।

    তিতির পালনের সুবিধা

    বাড়িতে তিতির পালনে অনেক সুবিধা আছে । তিতিরের রোগ বালাইয়ের প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশী । যা অন্যান্য পাখির নেই । তিতিরের তেমন রোগ বালাই হয় না বললেই চলে । তিতির পালনে খরচ ও ঝুঁকি অনেক কম । এরা পরিবেশের সাথে অনেক সংবেদনশীল । তাই বাড়িতে তিতির পালন করা  খুব সহজ। 
  • বাড়িতে সহজে রাজহাঁস পালন

    বাড়িতে সহজে রাজহাঁস পালন

    আসুন জেনে নেই বাড়িতে কিভাবে রাজহাঁস পালন করতে হবে

    রাজহাঁস একটি গৃহপালিত পাখি । আমাদের দেশে গ্রাম অঞ্চলে অধিকাংশই রাজহাঁস পালন করে থাকে । বাড়িতে রাজহাঁস পালন করা খুবই সোজা । আমাদের দেশে রাজহাঁস পালন করে সাধারণত সৌখিন লোকেরাই । তবে বর্তমানে রাজহাঁস পালন করে অনেক বেকার যুবক তাঁদের আর্থিক স্বচ্ছলতা এনেছে । আমাদের দেশের আবহাওয়া রাজহাঁস পালনে খুবই উপযোগী । রাজহাঁস পালন করলে একদিকে যেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং অন্যদিকে ডিম ও মাংস উভয়ই পাওয়া যায় । আপনি ইচ্ছা করলে আপনার বাড়িতে রাজহাঁসের চাষ করতে পারেন । আসুন জেনে নেই কিভাবে আপনি আপনার বাড়িতে রাজহাঁসের চাষ করবেন । 

    রাজহাঁস চাষে কি ধরণের খাঁচা বা ঘর বাছাই করবেন

    বাড়িতে রাজহাঁস পালন করার জন্য আপনাকে প্রথমে উপযুক্ত ঘর তৈরি করতে হবে । এক্ষেত্রে বেশ কিছু পদ্ধতি আছে । এক্ষেত্রে আপনি রাজহাঁসের ঘর বানানোর জন্য বাঁশ, বেত, টিন, ছন, খড় ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন । এছাড়াও যদি সম্ভব হয় তাহলে রাজহাঁসের জন্য  ইট দিয়ে ঘর তৈরি করে দিতে পারেন । এটি অনেক মজবুত হবে । রাজহাঁস খোলামেলা পরিবেশেও পালন করা যায়। কিংবা আপনি অর্ধ আবদ্ধ অবস্থায় পালন করতে পারেন ।

    রাজহাঁসের  জাত বাছাই করা  

    বিশ্বে অনেক প্রজাতির রাজহাঁস রয়েছে । এদের জাত যেমন ভিন্ন তেমনি নামও ভিন্ন ভিন্ন । তবে আমাদের দেশেও বেশ কিছু জাতের রাজহাঁসের পালন করা হয়ে থাকে । আমাদের দেশে প্রচলিত রাজহাঁসের জাত গুলো হল টুলুজ, এমডেন, চিনা, আন্সের, ব্রান্ট,  চেন ইত্যাদি । তবে টুলুজ জাতের রাজহাঁস পালন করা সর্বোত্তম । 

    রাজহাঁস পালন করার সঠিক সময় 

    বাড়িতে রাজহাঁস পালন করার জন্য তেমন কোন নির্দিষ্ট সময় ধরাবাধা নেই । আপনি ইচ্ছা করলে বছরের যেকোন সময়ে রাজহাঁস পালন করতে পারেন । তবে রাজহাঁস সাধারণত বসন্তকালের দিকে ডিম দিয়ে থাকে । এই সময় এদের প্রজনন করানো সর্বোত্তম । 

    কিভাবে রাজহাঁস পালন করবেন ও সঠিক নিয়মে যত্ন নিবেন

    রাজহাঁস পালন করার জন্য বেশী পরিশ্রম করতে হয় না । প্রায় সবধরনের জায়গায় রাজহাঁস পালন করা যায় । নিচু, উচু, স্যাতসেতে বা জল এবং শুকনো খটখটে- প্রায় সবরকম জায়গায় রাজহাঁস পালন চলবে । তবে খেয়াল রাখবেন শেয়াল বা কোন ধরণের জীবজন্তু যেন রাজহাঁসের কোন ক্ষতি করতে না পারে । রাজহাঁস নিজের ডিমে নিজেই তা দিয়ে ফুটাতে পারে । রাজহাঁসের ঘর মেঝে পাকা কিংবা কাচা হলেও চলবে । তবে রাজহাঁসের নিয়মিত যত্ন নিতে হবে । 
    সঠিক নিয়মে রাজহাঁস পালনের পদ্ধতি/কৌশল
    বাড়িতে রাজহাঁস পালন করার জন্য আপনাকে রাজহাঁসের সঠিক নিয়মে যত্ন নিতে হবে । রাজহাঁসের প্রজনন করার হন্য রাজ হাঁসকে ডিম পাড়ার জন্য ঘরে এবং বাইরে প্রতি তিনটি হাঁসের জন্য একটি পাত্রের ব্যবস্থা করতে হবে । তবে খেয়াল রাখবেন রাজহাঁসের বয়স ১ বছর না হলে রাজহাঁস প্রজন না করাই ভাল । কিন্তু পরের বছর থেকে আপনি রাজহাঁসের প্রজনন করতে পারেন । যদি আবদ্ধ অবস্থায় রাজহাঁস পালন করেন তবে রাজহাঁসের বাসস্থানের চারদিকে আপনি মোটা তারের বেড়া দিতে পারেন । ঘরের ভিতরে সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। 

    রাজহাঁসের খাবারের পরিমাণ ও সঠিক নিয়মে খাবার প্রয়োগ

    রাজহাঁসের খাবার মোটামুটি হাঁসের খাবারের মতো । রাজহাঁসের খাবার সাধারণত সহজলভ্য । রাজহাঁস পালনে আলাদা কোন সুষম খাবারের প্রয়োজন পড়ে না । তবে রাজহাঁসের বাচ্চা পালনে আপনাকে সতর্ক হতে হবে । কারণ রাজহাঁসের বাচ্চারা অনেক তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে । তাই এই সময় এদের নিয়মিত খাবার দিতে হবে । রাজহাঁস বেশীরভাগ সময়ই কাচা ঘাস খেয়ে থাকে । এটা ওদের অনেক প্রিয় খাবার । এছাড়াও রাজহাঁসকে আপনি গমভাঙা,  ছোলা,  গুঁড়ো দুধ, সরগাম ভাঙা,  কোকোনাট মিল,  মিট মিল,  লবণ নিয়মিত খেতে দেবেন ।

    রাজহাঁসের রোগ বালাই ও তাঁর প্রতিকার 

    বাড়িতে রাজহাঁস পালন করার ক্ষেত্রে রাজহাঁসের তেমন কোন রোগ দেখা যায় না । তবে কিছু রোগ বালাই মাঝেমধ্যে দেখা যায় । যেমন ককসিডিও, সিস,  কলেরা,  কোরাইজ,  স্পাইরোকিটোসিস,  অপুষ্টিজনিত রোগ ইত্যাদি । এছাড়া রাজহাঁসের তেমন কোন রোগ হয় না। তাই এটা পালনে অনেক সুবিধা । 
    কিভাবে রাজহাঁসের ও খাচার যত্ন ও পরিচর্যা করবেন 
    বাড়িতে রাজহাঁস পালনের ক্ষেত্রে রাজহাঁসের বিশেষভাবে যত্ন নিতে হবে । রাজহাঁসের ঘর সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে । রাজহাঁসের  ঘরের মেঝে,  দেয়াল,  বেড়া,  ছাদ,  ডিমের বাক্স,  ডিমের ট্রে,  পানির পাত্র এবং খাবার পাত্র ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে । ঘরটি যেন সবসময় খোলামেলা থাকে এবং শিয়াল কিংবা অন্য যেকোন ধরণের বন্য জীবজন্তু থেকে মুক্ত থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । মাঝে মাঝে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে দিতে হবে । প্রয়োজনে বাজারে যে সমস্ত উন্নতমানের জীবাণুনাশক পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার করে জীবাণুমুক্ত করা যেতে পারে ।

    রাজহাঁসের ডিম ও মাংসের  খাদ্য গুণাগুণ  

    রাজহাঁসের মধ্যে অনেক ধরনের খাদ্য গুণাগুণ বিদ্যমান । রাজহাঁসের মাংস ও ডিম খুবই সুস্বাদু । এদের মাংস ও ডিমে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমিষ, প্রোটিন ও স্নেজাতীয় পদার্থ বিদ্যমান । রাজহাঁসের ডিম আকারে বেশ বড় । এই কারণে খাদ্য সংস্থানের জন্যেও অনেকে রাজহাঁসের ডিম পছন্দ করে থাকে । এবং এতে প্রচুর পরিমাণে মাংস পাওয়া যায় । 

    রাজহাঁস পালনের সুবিধা

    রাজহাঁস পালনে অনেক সুবিধা । বাড়িতে রাজহাঁস পালনে খরচ অত্যন্ত কম । অল্প পুজিতে বাড়ীতে রাজহাঁস পালন করা যায় । রাজহাঁস বাড়ির শোভা বর্ধন করে ।  এছাড়াও রাজহাঁস বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে । রাজহাঁসের  রোগবালাই তুলনামুলক খুবই কম । ভবিষ্যতে দেখা যাবে রাজহাঁস পালন আরও অনেক বৃদ্ধি পাবে । কারণ রাজহাঁস পালন করা অত্যন্ত লাভজনক । 
  • শখের পাখি লালন - পালন ও রোগ-বালাই এর সমাধান

    শখের পাখি লালন - পালন ও রোগ-বালাই এর সমাধান

    বাজরিগা পাখি

    ক) এটি আমদের দেশের পাখি নয়। তবে বর্তমানে আমাদের দেশে এই পাখিটিকে শখের বসে বাড়িতে পোষার জন্য সংগ্রহ করে থাকেন। এই পাখিটি বেশ দামি। 
    খ) বাজগিরা পাখি খুব সহজেই ডিম দেয়। ডিম থেকে খুব তাড়াতাড়ি বাচ্চা হয়। তবে ডিম পাড়া বা ডিম থেকে বাচ্চা হওয়াটা সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে পাখির যত্নের ওপর। 
    গ) বাড়িতে এই পাখিগুলো খুব সহজেই লালন-পালন করা যায়। বাজগিরা পাখি দেখতে অনেক সুন্দর এর গায়ে অধিক রঙে রঙিন। 
    ঘ) বাজগিরা পাখি পালনের জন্য প্রথমে আপনাকে উপযুক্ত খাঁচা নির্বাচন করতে হবে। খাঁচার মধ্যে পাখির ডিম পাড়ার জন্য ও খাদ্য প্রয়োগের জন্য পাত্র দিতে হবে।
    ঙ) বাজগিরা পাখির প্রতিটির শরীরে দুটি বা চারটি রঙের মিশ্রণ থাকে। এ রঙগুলো হচ্ছে হলুদ, সাদা ও নীল ধরনের হয়ে থাকে। 
    ছ) সঠিক নিয়মে যত্ন নিলে দু-আড়াই মাসের মধ্যে বাজগিরা পাখি ডিম দেয়া শুরু করে। খুব যত্নসহকারে বাজগিরা পাখির যত্ন করতে হবে।

    ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখি

    ক) বাড়িতে সহজে লালন-পালন করা যায় এমন পাখির মধ্যে আছে ককটেল ও লোটিনো বা গ্রে ককটেল পাখি। বাজগিরা পাখির মত এরাও খুব সহজেই ডিম দেয়।
    খ) এ সকল পাখি পালনের জন্য প্রথমে আপনাকে উপযুক্ত খাঁচা নির্বাচন করতে হবে। খাঁচার মধ্যে পাখির ডিম পাড়ার জন্য ও খাদ্য প্রয়োগের জন্য পাত্র দিতে হবে।  
    গ) ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখিগুলো দেখতে অনেকটা কাকাতুয়ার মতো। এদের মাথায় সুদৃশ্য ঝুটি আছে ও এদের ডাক অনেক সুন্দর। 
    ঘ) সঠিক নিয়মে যত্ন নিলে সাড়ে তিন মাস থেকে চার মাসের মধ্যে ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখি ডিম দেয়া শুরু করে। খুব যত্নসহকারে ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখির যত্ন করতে হবে।

    ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখির খাদ্য

    ক) ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখি খাবার হিসেবে সাধারণত দানাদার খাদ্য পছন্দ করে। এর মধ্যে রয়েছে সূর্যমুখীর বিচি, ধান, চিনা ও কুসুম ফুলের বিচি 
    খ) এছাড়াও আপনি ককটেল ও গ্রে ককটেল পাখিকে ভেজা ছোলা অথবা শাকসবজি খাওয়াতে পারেন। 

    ফিঞ্চ পাখি ও লাভবার্ড পাখি

    ক) বাড়িতে সহজে লালন-পালন করা যায় এমন শখের পোষা পাখিগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি। এই পাখিগুলো দেখতে অনেক সুন্দর।  
    খ) এই পাখি গুলো দেখতে অনেকটা শালিক পাখির মতো। এই পাখি পালনে খরচ অনেক কম। 
    গ) লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি মূলত শস্যভোজী পাখি। এরা বিভিন্ন ধরণের শস্য খেয়ে থাকে। 
    গ) লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখিগুলো হোয়াইট ফিডও খেয়ে থাকে। 
    ঘ) এছাড়াও আপনি ইচ্ছা করলে বিভিন্ন জাতের দেশী বিদেশী কবুতর পালন করতে পারেন। এরা ধান, গম বা ভাত খেয়ে থাকে। এদের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানি ও ইন্ডিয়ান লক্ষ্মা, হল্যান্ডের সিরাজি ও ম্যাগপাই ইত্যাদি।

    রোগ-বালাই

    ক) বাড়িতে লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি অথবা কবুতর পালন করার ক্ষেত্রে আপনাকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। রানীক্ষেত, ম্যালেরিয়া ও নিউমোনিয়ায় মত মারাত্মক রোগে এসকল পাখি আক্রান্ত হতে পারে। 
    খ) এসব রোগের আক্রমণে অ্যান্টি-ভাইরাস, অ্যান্টি-বায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। তবে পশুপাখি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে ওষুধ খাওয়ানো উত্তম। 
    গ) বাড়িতে লাভবার্ড পাখি ও ফিঞ্চ পাখি লালন-পালনে সঠিক মাপের খাঁচা ব্যবহার করতে হবে। কবুতরের জন্য উপযুক্ত আঁকারের খোপ বা ঘর তৈরি করে দিতে হবে
  • উপায়ঃ ২ । বিড়াল আঁচড়ে-কামড়ে দিলে অবশ্যই নিতে হবে যে ৬টি পদক্ষেপ

    উপায়ঃ ২ । বিড়াল আঁচড়ে-কামড়ে দিলে অবশ্যই নিতে হবে যে ৬টি পদক্ষেপ

    আদরের ছলে হঠাৎ করেই বিড়ালের ধারালো নখ লেগে কেটে যেতে পারে হাত, ছড়ে যেতে পারে চামড়া। আর আপনি ওদের আরেকটু খেপিয়ে দিলে কামড়ে রক্তারক্তি কান্ডও হয়ে যেতে পারে। বিড়াল কামড়ালে বা আঁচড়ালে অনেকেই ভীত থাকেন, ভাবেন জলাতঙ্ক হতে পারে- তাই ইনজেকশন নিতে ছুটে যান ডাক্তারের কাছে। আবার অনেকে ভয়াবহ কামড়কেও পাত্তা না দিয়ে ঘরে বসে থাকা পক্ষপাতি। আসলে কী করা উচিৎ তা জেনে নিন একজন চিকিৎসকের দৃষ্টিতে।

    আমাদের রোজকার জীবনে গুটিশুটি ফিরে চলা আদুরে প্রাণী বিড়াল। ছোট্ট ছোট্ট বিড়াল ছানা খেলে বেড়ায় আমাদের ঘরে-বাইরে। ছোটরা তো বটেই, আমরা বড়রাও সুযোগ পেলে আদর করে দিই এই তুলতুলে ছানাদের। কিন্তু এই আদরের ছলে হঠাৎ করেই বিড়ালের ধারালো নখ লেগে কেটে যেতে পারে হাত, ছড়ে যেতে পারে চামড়া। আর আপনি ওদের আরেকটু খেপিয়ে দিলে কামড়ে রক্তারক্তি কান্ডও হয়ে যেতে পারে। বিড়াল কামড়ালে বা আঁচড়ালে অনেকেই ভীত থাকেন, ভাবেন জলাতঙ্ক হতে পারে- তাই ইনজেকশন নিতে ছুটে যান ডাক্তারের কাছে। আবার অনেকে ভয়াবহ কামড়কেও পাত্তা না দিয়ে ঘরে বসে থাকা পক্ষপাতি। আসলে কী করা উচিৎ তা জেনে নেওয়া যাক।

    প্রথম ধাপ- দেখুন আপনি কতখানি আহতঃ

    এটআ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিড়ালের আঁচড় চামড়ার একেবারেই উপরিভাগে থাকে, রক্তও গড়িয়ে পড়ে না। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত ভয় না পেলেও চলে।
    আবার কিছু কিছু সময় দেখা যায় বিড়ালের আঁচড় গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে- এক্ষেত্রে সচেতন হওয়া জরুরি। আর বিড়াল কামড়ালে তা নিয়ে অবশ্যই অবহেলা করবেন না।

    দ্বিতীয় ধাপ- সাবান পানির ব্যবহারঃ

    সাবান-পানি, শুনতে হাস্যকর মনে হতে পারে অনেকের কাছে, কিন্তু সত্য হলো জলাতঙ্কের জীবানু (Rabis Virus) কে ঠেকাতে যে কোন ধরণের এন্টিবায়োটিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সাবান পানি। এই ভাইরাসের চারদিকে স্নেহ-জাতীয় পদার্থের আবরণ থাকে যা সাবানের মাধ্যমে খুব সহজেই ধ্বংস হয়ে যায়- যা অনেক এন্টিবায়োটিক সলিউশন করতে পারে না। তাই যত গভীর ক্ষতই হোক না কেন তা সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

    তৃতীয় ধাপ- এন্টিবায়োটিক ব্যবহার ও রক্তপাত প্রতিরোধঃ

    এইসব ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হয় অন্যসব ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমন ঠেকাতে। এজন্য তরল এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা ভালো, যেমনঃ স্যাভলন, ডেটল ইত্যাদি। তবে ১০ সেকেন্ড ধরে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড সলিশন বা পভিসেপ (আয়োডিন সলিউশন) ব্যবহার করলে তার উপকারিতা হবে সবচেয়ে বেশি। যদি খুব বেশি রক্ত পড়ে তবে রক্তপাত ঠেকাতে ছোট ব্যান্ড এইড বা গজ ব্যবহার করতে পারেন; তবে লক্ষ্য রাখুন যেন রক্ত বন্ধ হলেই ব্যান্ডেজ খুলে দেওয়া হয়। কারণ ক্ষতে বাতাস আসা-যাওয়া করলে সেখানে টিটেনাসের (ধনুষ্টংকার) জীবানু বাসা বাঁধার সুযোগ পায় না। এন্টিবায়োটিক মলম বা ক্রিম না দেওয়াই ভালো কারণ ঠিকমত পরিষ্কার না হলে অনেক সময় ক্ষতে জমে থাকা ময়লা থেকে ক্রিমের নিচে বাতাসহীন পরিবেশে টিটেনাসের জীবানু বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

    চতুর্থ ধাপ- সংক্রমনের চিহ্নগুলো লক্ষ্য করুনঃ

    যদি ক্ষত খুব গভীর নাও হয় তবে লক্ষ্য করুন এতে অন্য জীবানু সংক্রমন করছে কি না। সংক্রমন (ইনফেকশন) বোঝার উপায় হলো- ক্ষতস্থান যদি ফুলে যায়, লাল হয়ে যায়, তীব্র ব্যথা করে বা ওই স্থান থেকে ক্রমাগত বিরামহীনভাবে রক্ত চুঁইয়ে পড়ে তবে বুঝবেন আর দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যাবার সময় হয়েছে।

    পঞ্চম ধাপ- জ্বর এলো কী না লক্ষ্য করুনঃ

    বিড়ালের আঁচড়ে বড়দের কিছু না হলেও অনেক সময় বাচ্চাদের জ্বর হয়। বিশেষ ধরণের এই জীবানু ঘটিত এই রোগকে বলে "ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ"। এসময় বাচ্চার কাঁপুনি দিয়ে বা কাঁপুনি ছাড়াই জ্বর হতে পারে, আক্রান্ত স্থানে ছোট ফোসকা পড়তে পারে, পিঠ ব্যথা বা পেট ব্যথা থাকতে পারে। বিড়ালের আঁচড়ের সাথে সাথে না হলেও সাত থেকে চৌদ্দদিনের মাঝে এমন সব লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান।

    ষষ্ঠ ধাপ- গভীর ক্ষত বা মুখে ক্ষত হলেঃ

    যে ক্ষত খুব গভীর বা যদি ক্ষত মুখে হয় তবে ডাক্তারের কাছে যান। ডাক্তার আপনার ক্ষতটি ভালো করে ধুয়ে দেবেন ও প্রয়োজন হলে আরও চিকিৎসা দেবেন।

    বাড়তি সচেতনতাঃ

    উপরোক��ত বিষয় ছাড়া আরও কিছু ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া ভাল। যেমনঃ
    • -আপনার বিড়ালে এলার্জি থাকলে বিড়াল থেকে দূরে থাকুন। কারণ সেক্ষেত্রে বিড়ালের আঁচড়ে আপনার চামড়ার বেশি ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও বিড়ালের লোম থেকেও এলার্জিকদের হতে পারে শ্বাসকষ্ট।
    • - সবাইকে বিশেষত গর্ভবতী মায়েদের বিড়ালের বিষ্ঠা থেকে দূরে রাখুন। কারণ এর মাধ্যমে টক্সোপ্লাজমোসিস নামে ভয়াবহ রোগ হতে পারে। টক্সোপ্লাজমোসিসে গর্ভবতী মায়ের ফ্লু- এর মত লক্ষণ দেখা দিলেও গর্ভের বাচ্চার এনকেফাইলাইটিস ( মস্তিষ্কে সংক্রমন), বা বাচ্চার হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কান, চোখ ইত্যাদিতে দেখা দিতে পারে জন্মগত ত্রুটি। তাই এই ব্যাপারেও সাবধান থাকা অত্যন্ত জরুরি।
  • বিড়াল কামড়ালে বা আঁচড় দিলে করণীয় কি

    বিড়াল কামড়ালে বা আঁচড় দিলে করণীয় কি

    বিড়াল কামড়ালে বা আঁচড় দিলে অনেকেই ভয় পেয়ে থাকেন, ভাবেন জলাতঙ্ক হতে পারে। তাই ইনজেকশন দিতে ছুটে যান ডাক্তারের কাছে। আবার অনেকে ভয়াবহ কামড়কেও পাত্তা না দিয়ে ঘরে বসে থাকেন।
    আসলে কি করা উচিৎ তা জেনে নেওয়া ভালো। সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিড়ালের আঁচড় চামড়ার একেবারেই উপরিভাগে থাকে, রক্তও গড়িয়ে পড়ে না। এসব ক্ষেত্রে খুব একটা বিচলিত হওয়ার কারণ নেই। আবার কিছু কিছু সময় দেখা যায় বিড়ালের আঁচড় গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। এক্ষেত্রে সচেতন হওয়া জরুরি। আর বিড়াল কামড়ালে তা নিয়ে অবশ্যই অবহেলা করবেন না। প্রথমেই সাবান আর পানি নিন, জলাতঙ্কের জীবানু (Rabis Virus) কে ঠেকাতে যে কোন ধরণের এন্টিবায়োটিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সাবান পানি।এই ভাইরাসের চারিদিকে স্নেহ জাতীয় পদার্থের আবরণ থাকে যা সাবানের মাধ্যমে খুব সহজেয় ধ্বংস হয়ে যায় যা অনেক এন্টিবায়োটিক সমাধান করতে পারে না। তাই যত গভীর ক্ষতই হোক না কেন তা সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এইসব ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিকে ব্যবহার করতে হয় অন্যসব ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে। এজন্য তরল এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা ভালো, যেমন ডেটল, স্যাভলন ইত্যাদি। তবে ১০ সেকেন্ড ধরে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড সলিউশন বা পভিসেপ (আয়োডিন সলিঊশন) ব্যবহার করলে তার উপকারিতা হবে সবচেয়ে বেশী।
    যদি খুব বেশী রক্ত পড়ে তবে  রক্তপাত ঠেকাতে ছোট ব্যান্ড এইড বা গজ করতে পারেন, তবে লক্ষ্য রাখুন যেন রক্ত বন্ধ হলেই ব্যান্ডেজ খুলে দেওয়া হয়। কারণ ক্ষতস্থানে বাতাস আসা যাওয়া করলে সেখানে টিটেনাসের(ধনুষ্টংকার) জীবানু বাসা বাধার সুযোগ পায় না। এন্টিবায়োটিক মলম বা ক্রিম না দেওয়াই ভালো কারণ ঠিকমত পরিষ্কার না হলে অনেক সময় ক্ষতে জমে যাওয়া ময়লা থেকে ক্রীমের নীচে বাতাসহীন পরিবেশে টিটেনাশের জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারে। যেখানে কামড় দিয়েছে ঐ স্থানে যদি ফুলে যায়, রক্ত পড়ে কিংবা ঘা হয়, জ্বর আসে তাহলে শীঘ্রই ডাক্তার দেখাতে হবে। আপনার বিড়ালে এলার্জি থাকলে বিড়াল থেকে দূরে থাকুন, কারণ সেক্ষেত্রে বিড়ালের আঁচড়ে আপনার চামড়ার বেশী ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া বিড়ালের লোম থেকেও এলার্জিকদের শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
  • কিভাবে বিড়াল কে Potty Trained করাবেন।

    কিভাবে বিড়াল কে Potty Trained করাবেন।

    আপনি যখন বাসায় একটা বিড়াল বা বিড়াল ছানা আনার সিদ্ধান্ত নিবেন তখন আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে তার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, আহার, পট্টি বা পি করার ব্যবস্থা করার সব উপকরণ আছে। উন্নতমানের খাদ্য, একটি নিরাপদ পরিবেশ, সঠিক চিকিৎসা, তাকে প্রচুর ভালোবাসা এবং সর্বোপরি তার পট্টি বা পি করানোর একটি নিরাপদ জায়গা। বাসায় Litter Box রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি এটির গুরুত্ব ঠিক তখনই বুঝতে পারবেন যখন আপনার বিড়াল এটি ব্যবহার বন্ধ করে দিবে।
    কিভাবে ট্রেনিং দিবেন : আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে পি বা পট্টি আসলে বিড়াল একটু মোটা করে ম্যাও ম্যাও করে ডাকে। কোথাও আচড়াতে থাকে। ঠিক এই সময়ে আপনি বিড়াল বা বিড়াল ছানাটিকে ধরে যেখানে পি বা পট্টি করাতে চান সেখানে নিয়ে যান এবং কিছু সময় অপেক্ষা করুন, দেখবেন তাহলে সে ওখানে পি বা পট্টি করতেছে।
    বিড়ালের পি দিয়ে একটি পুরাতন পেপার ভিজিয়ে নিয়ে যেখানে পি বা পট্টি করাতে চান সেখানে রেখে আসুন এবং বারবার তাকে জায়গাটা চিনিয়ে দিন। বিড়ালের ঘ্রাণশক্তি অনেক প্রখর, তাই তারা খুবই দ্রুতই ওই জায়গাটা চিনে যাবে। ক্রমান্বয়ে সে সেখানেই পি বা পট্টি করতে অভ্যস্ত হয়ে যাবে।
    কোন স্থানে বিড়াল পি বা পট্টি করলে সে পরবর্তীতে বারবার ওখানে পি করতে চায় কারণ ওদের পি এর গন্ধ ওখানে থেকে যায়, তাই ওই জায়গাটা অবশ্যই পরিষ্কার রাখতে হবে। ভিনেগার অথবা লিকুইড সাবান দিয়ে ভালো করে মুছে দিতে হবে যাতে একটুও গন্ধ না থাকে। যারা Litter Box ব্যবহার করেন তাদেরকে অবশ্যই Litter Box পরিষ্কার এবং শুকনা রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে অপরিচ্ছন্ন Litter Box  বিড়াল ব্যবহার করতে চায় না। তাই দিনে অন্তত দুইবার Litter Box পরিষ্কার করতে হবে।
    বিড়াল সাধারণত ফুলের টব, কাগজের টুকরা, চটের ব্যাগ এইগুলিতে পি বা পট্টি করতে পছন্দ করে তাই এইগুলো Litter Box এর কাছাকাছি রাখা যাবে না।Litter Box টি এমন জায়গায় রাখুন যাতে সেখানে মানুষের চলাচল কম থাকে, কারণ বিড়াল একটু আড়ালে এবং নিরিবিলি পরিবেশে টয়লেট করতে পছন্দ করে। মনে রাখবেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন Litter Box আপনার বাসার পরিবেশ এবং বিড়ালের স্বাস্থ্য দুইই সুরক্ষা করবে। 
  • Rescued Kitten এর যত্ন কিভাবে নিবেন।

    Rescued Kitten এর যত্ন কিভাবে নিবেন।

    আপনি রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে হটাত একটা বিড়াল ছানা দেখতে পেলেন, তখন আপনার কি করা উচিৎ। আপনার পরবর্তী ধাপটি কি হতে হবে তার কিছু পরামর্শ নিম্নে দেয়া হলো।
    প্রথমেই বাচ্চাটাকে একটু নিরাপদ দূরত্ব থেকে পর্যবেক্ষন করতে হবে তার মা আশেপাশে কোথাও আছে কিনা। সেটা বেশ কয়েক ঘন্টা সময় নিয়ে হলেও করা উচিৎ।পরিত্যক্ত বিড়াল ছানাগুলি নোংরা হবে এবং তারা ক্রমাগত কান্নাকাটি করবে কারণ তারা ক্ষুধার্ত। যদি প্রতীয়মান হয় যে বাচ্চাটা সত্যি একা সাথে কেউ নেই তাহলে তাকে উদ্ধার করা উচিৎ, কারণ ছোট বাচ্চা এই পরিবেশে কোনভাবে টিকে থাকতে পারবে না।
    প্রাথমিকভাবে পরিষ্কার করা : বাড়ীতে নিয়ে আসার পর প্রথমেই যে কাজটি আপনাকে করতে হবে, তা হলো হালকা কুসুম গরম পানিতে পরিষ্কার সুতি কাপড় ভিজিয়ে নাক, কান, মুখ, চোখের চারপাশ এবং সারাশরীর সুন্দরভাবে মুছে দিতে হবে। মনে রাখবেন এই ছোট বাচ্চাটাকে কোনভাবে গোসল করানো যাবে না, তাতে বাচ্চাটা ঠান্ডা লেগে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে।
    কিভাবে রাখবেন : তিন সপ্তাহের কম বয়সী বাচ্চা তাদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাদেরকে উষ্ণ কোন জায়গায় রাখুন, একটি টাওয়েল দিয়ে তাকে পেঁচিয়ে কোন ঝুড়িতে রাখুন, সম্ভব হলে ঝুড়িটির উপর টাওয়েল দিয়ে ঢেকে দিন।
    কি খাওয়াবেন এবং কিভাবে খাওয়াবেন : Kitten এর বয়স এক মাসের কম হলে বা নিজে থেকে খেতে না পারলে তাকে ড্রপার বা Feeder  দিয়ে খাওয়াতে হবে।Lactogen Formula 1 Brand এর দুধ কিনে এক ভাগ দুধ এবং তিন ভাগ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়ান তা নিরাপদ, Full Creame milk খাওয়াবেন না, তাতে বাচ্চাটার পেট খারাপ হয়ে ডিসেন্ট্রি বা পাতলা পায়খানার সম্ভাবনা থাকে।যদি এই দুধ না থাকে তাহলে গরুর দুধ ছাড়া অন্য কোন দুধ একই পদ্ধতিতে খাওয়াতে হবে।
    CoCo Cat Milk Replacer কিনতে পাওয়া ওইটাও খাওয়াতে পারেন।
    টক দই পানিতে মিশিয়ে পাতলা করে গুলিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।
    চিকেন চ্যুপ খাওয়ানো যেতে পারে। হাড় সহ ছোট করে কাটা কিছু মুরগির টুকরা বেশী করে পানিতে মিশিয়ে ৪০/৪৫ মিনিট হালকা আঁচে জ্বাল দিলে যে ঘন পানি থাকবে তা খাওয়াতে পারেন।
    কিভাবে খাওয়াবেন : বাচ্চাটাকে অবশ্যিই সোজা করে বসিয়ে মাথা সোজা রেখে মুখের এক পাশে মাড়ির ফাঁক দিয়ে Dropper দিয়ে ফোটা ফোটা করে বা Feeding Bottle দিয়ে প্রতি ১ বা ১.৫ ঘন্টা পর পর ৫-১০ মিলি করে যতটুকু সম্ভব খাওয়াতে হবে।
    নিজে খেতে পারলে : যদি বাচ্চা বিড়ালটা নিজে নিজে খেতে পারে, তাহলে সেদ্ধ করা বা তরকারি থেকে তুলে ঝোল মশলা ধুয়ে নিয়ে মাছের কাটা বা মুরগির হাড় ছাড়িয়ে সামান্য ভাতের সাথে মিশিয়ে নরম করে মেখে দিতে হবে এবং সাথে বাটিতে পরিষ্কার পানি দিতে হবে। যদি খাওয়ার বয়স হওয়া সত্ত্বেও শারীরিক অসুস্থতা বা দুর্বলতার কারণে খেতে না চায় তাহলে Dextrose Salaine, Rice Salaine বা Chicken Stock Hand feeder দিয়ে খাওয়াতে হবে।
    যদি সম্ভব হয় তাকে অনতিবিলম্বে একজন Vet  কে দেখানো। Vet  তার শারীরিক কোন সমস্যা আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবে।
  • GET A FREE QUOTE NOW

    Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat.

    JSON Variables

    ADDRESS

    4759, NY 10011 Abia Martin Drive, Huston

    EMAIL

    contact-support@mail.com
    another@mail.com

    TELEPHONE

    +201 478 9800
    +501 478 9800

    MOBILE

    0177 7536213 44,
    017 775362 13